রুটিন, পাঠ ডায়েরি, বাড়ির কাজ, মূল্যায়ন, পরীক্ষা, নোটিশ আর রিপোর্ট। শিক্ষক যা কাগজে লেখেন, সারো সেটাই রাখে, কম সময়ে। হাজিরা, আসন আর ক্লাস কুইজ আসে পারো থেকে, একই লগইনে।
পারোতে যে অ্যাকাউন্ট আছে, সেটাই চলবে। নতুন করে ভূমিকা যাচাই লাগবে না।
শিক্ষক আর অফিস যা প্রতিদিন কাগজে করেন, সেগুলোই। একই কাজ, কম সময়ে, কম খাতায়।
ক্লাস শেষে এক মিনিটে লিখুন কী পড়ালেন। সিলেবাসের হিসাব নিজে থেকেই হয়।
কাজ দিন, খাতায় বা ছবিতে জমা নিন, রুব্রিক ধরে নম্বর দিন।
রুটিনে কোনো শিক্ষক এক সময়ে দুই ক্লাসে পড়লে সাথে সাথে ধরা পড়ে। কেউ ছুটিতে থাকলে কে বদলি নেবেন, সেটা সিস্টেম বলে দেয়।
ক্লাস কুইজ থেকে টার্ম পরীক্ষা পর্যন্ত এক খাতায়। ফল কার্ড তৈরি হয় নিজে থেকেই।
স্কুল, শ্রেণি বা একজন অভিভাবক। অ্যাপে আর এসএমএসে, ফোন নম্বর গোপন রেখে।
উপজেলার মাসিক রিপোর্ট নিজে থেকে পূরণ হয়। শিক্ষকের প্রশিক্ষণ আর সনদ এক জায়গায়।
প্রত্যেকে দেখেন শুধু নিজের কাজের অংশ। কে কী দেখবেন, তা ঠিক হয় পারোর অনুমোদন থেকে।
ডায়েরি, পাঠ, কাজ, খাতা, পরীক্ষা, ছুটি
রুটিন, বদলি, সিলেবাস, অনুমোদন, রিপোর্ট
আজকের রুটিন, বাড়ির কাজ জমা, উপকরণ, ফল
সন্তানের কাজ, হাজিরা, ফল, শিক্ষকের সাথে কথা
উপজেলা বা জেলার সারাংশ, শুধু সংখ্যা, নাম নয়
অফলাইনে লেখা যায়, নেট এলে পাঠায়। ফোন না থাকলে এসএমএস আর খাতা
বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা তীব্র গরমে স্কুল বন্ধ হলে প্রধান শিক্ষক “স্কুল বন্ধ” চালু করেন। রুটিন থামে, বাড়ির কাজ যায় এসএমএসে, উপকরণ খোলে অফলাইনে।
খোলার পর পারোর কুইজ দেখায় কতটা শেখা হারাল, আর সারো সেই অধ্যায়গুলো আবার রুটিনে বসায়।
পারো দিয়ে ঢুকে “স্কুলে সারো চালু করুন” চাপেন। শিক্ষক আর শ্রেণির তালিকা পারো থেকে আসে।
সাপ্তাহিক রুটিন একবার বসালেই প্রতিদিনের পাতা তৈরি। এক্সেল থেকে তোলাও যায়।
শিক্ষক পারোর অ্যাকাউন্টেই ঢোকেন। শিক্ষার্থী আর অভিভাবক দেখেন কাজ, ফল আর নোটিশ।